Monday, 7 March 2016

Facebook ব্রতকথা

ফেসবুক ব্রতকথা

অর্থাভাবে পটাইবাবু সদা দুঃখ পায়।
অর্থবিনা পটাইয়ের জীর্ণ শীর্ণ কায়।।

কাঁদিতে কাঁদিতে পটাই অতি দুঃখভরে।
তাহার ভাগ্যের কথা কহিল সবারে।।

সহিতে পারিনা আর সংসার যাতনা।
ত্যজিব জীবন আমি করেছি বাসনা।।

বন্ধুগন বলে শুন, মোদের বচন।
আত্মহত্যা মহাপাপ নরকে গমন।।

বাড়ি ফিরে গিয়ে তুমি পূজো ফেসবুক।
ত্বরায় হরিবে তোমার জীবনের দুখ ।।

বন্ধুর মুখানি মনে করিয়া চিন্তন।
পোস্টিংগুলি একমনে করিবে দর্শন।।

যা খুসি মনে আসে দিবে সেথা লেখা।
ইহাতে খুলিবে যেনো কপালের রেখা।।

যেই জন সারাদিন ফেসবুক পুজে।
সকল শান্তি তার গৃহেতে বিরাজে।।

(Facebook - এর  বন্ধুরা প্রতিদিন সকালে উঠিয়া এই মন্ত্র পাঠ করিয়া দিনের কার্য্য শুরু করিবেক )

Monday, 22 February 2016

আমি বাংলার


আমি বাংলার পথে হাঁটি 
আর বাংলায় করি কাঠি । 
বাংলায় ভয় পেলেই তো লাগে 
বাংলা দাঁতকপাটি ।। 

আমি বাংলায় হই খুশি 
মনে বাংলা দুঃখ পুষি । 
আমি বার্গার আর হটডগ ফেলে 
ঘুগনির কাঠি চুুষি ।। 

আমি বাংলার ঘুম থেকে 
রোজ বাংলায় উঠি জেগে । 
বাংলা ভাষায় প্রবল খিস্তি 
ঝাড়ি বাংলায় রেগে ।। 

আমি বাংলায় ফেলি ঘর্ম 
করি বাংলায় অপকর্ম । 
বাংলাতেই তো ঘামাচি মারছি 
চুলকে যাচ্ছি চর্ম ।। 

আমার বাংলায় টাকমাথা 
আর মাজায় বাংলা ব্যথা । 
আর বাঙালী পরস্ত্রীদের দেখে 
ন্যাকামিতে হই ন্যাতা ।। 

আমি বাংলায় করি ভুল 
শেষে বাংলায় ছিঁড়ি চুল ।  
আমি মন্দিরে আর মসজিদে যাই 
নিয়ে বাংলার ফুল ।। 

Sunday, 29 November 2015

Bangaliyana @ Sunday

আজ রবিবার , ছুটির দিন . 
আছে বহু কাজ 
তবু , অলস বীণ . 

এক্ কাপ চা কড়া করে , 
গিন্নী ধরেন মুখের পরে . 
জলখাবারে ফুলকো লুচি 
বেগুন বলে আমিও আছি , 

সাথে সন্দেশ নলেন গুড় - 
গিন্নী বলেন খাও ভরপুর . 

দুপুরবেলা কী খাবে গো ? 
গিন্নী হাঁকেন সোহাগ সুরে ? 
কখন যাবে বাজার তুমি ? 
রান্না হবে ভরদুপুরে ? 

আনাজপাতি মাছ - মন্গ্সে 
উপচে পরে ব্যাগ টা ভারী - 
চেঁচিয়ে ওঠে গিন্নী তখন 
ধুতে গিয়ে মুখটা হাঁড়ি . 

কষা মন্গ্স ভাতের সাথে 
রায়তা এলো শেষের পাতে , 

আহা গিন্নী ! কী খাওয়া লে ! 
কর্তা বলেন সোহাগ ঢেলে . 
ছুটির দিনের রোজ নামা 
খাদ্য রসিক বাঙ্গলীআনা .

Sunday, 25 October 2015

Subho Bijoya.


বুকে বুক ছুঁয়ে আলিঙ্গনের রীতি
অধুনা অচল। শুভেচ্ছা আর প্রণাম
পুরোদস্তুর গ্লোবালাইজড্ কমোডিটি
সিলেবাসে ছোটে গণিতের কালঘাম। 

আমার মায়ের বিসর্জনের স্মৃতি
এখনও টাটকা - দগদগে ক্ষত ঘা
মানিনা গণিত অ্যাল্জেব্রা জ্যামিতি
বিসর্জনে কি শুভ হয় বিজয়া?

উপেক্ষা করে সেই পাপ ভয় ভীতি 
পাঠাচ্ছি শুভ বিজয়ার সম্প্রীতি। 
ইতি —

Friday, 17 April 2015

মন

মনের কথাই মন বলেছে
আমি তো সেই এক অজুহাত
নীরবতায় ঢাকতে চেয়েছি
মন যে তখন জলপ্রপাত !! 

Selfie_সেলফি

এক টুকরো তোর কাছে যাওয়া
এক টুকরো হাসি কাছে পাওয়া
এক জাহাজ ব্যস্ততা ঠেলে
এক টুকরো রাগ গলে জল
যখন একটা সেলফি ই সম্বল!

এক মুহূর্ত সুখ ধরে রাখা
এক মুহূর্ত কিছু পাশে থাকা
এক মুহূর্তে খুঁজে পেতে চেয়ে
জীবনের সঞ্চয়
একটা সেলফি জন্ম নেয়!

এক একটা দিন শুধু 
নিজেকেই দেখা
নিজেকেই চাওয়া নয় খুঁজে পাওয়া
নয় ফিরে দেখা নিজের চোখেই
নিজের পরিচয়
সেলফি পথ দেখায়!

পুকুর জলেতে মুখ দেখে গেছি কত
কত কিছু যেন হাবিজাবি আঁকা-আঁকি
যখন পুকুর ভরেছে আবর্জনায়
ভরসা দিয়েছে সেই 
একলাই সেলফি!

মোনালিসা তুমি

বিদায় নিয়েছে কৃষ্ণচূড়ার মায়া 
ঝরা পাতা জুড়ে মেহগিনি রোদ হাসে 
কতো চেনা জানা প্রতিদিন আগে পিছে 
কাটছে জীবন মনালিসা হাসি হেসে!

কখনো ঝাপসা চালশের ফাঁকে ফাঁকে 
লুকোচুরি খেলে সোনা রোদ ঝিকিমিকি 
দূরবীন চোখে খুঁজে নিও ভালবাসা 
মনালিসা তুমি কখনো কেঁদেছ নাকি !

কৃষ্ণগহ্বর আজ ভরেছে কানায় কানায় 
কে যেন কোথাও করে চলে কানাকানি 
কান দিওনা তুমি মোনালিসা এই সবে 
তুমি না হাসলে যে, স্রষ্টার মানহানি !

Thursday, 30 October 2014

পাশে থেকো - প্রীতি প্রানের বন্ধু


স্বপ্নে তোমায় 
চাই না আমি 
চাইনা কল্পনায় 

পাই যদি 
কখনো তোমায় 
হাঁটবো পায়ে পায় 

গাছ গাছালি 
পাহাড় নদী 
থাকুক ডাইনে বায়ে 

পাই যদি গো 
তোমায় আমি 
যাব অচিন গাঁয়ে 

আমি হাঁটবো পায়ে পায়ে 
অচিন গাঁয়ের 
মেঠো পথ 
ধুলো কাঁদায় মাখা 

বাসনা তো 
আর কিছু নয় 
একটু পাশে থাকা 

স্বপ্নে এসে কি হবে গো 
রাত কি থেমে থাকে 
কল্পনা যে ইচ্ছে মত 
রঙে ছবি আঁকে 

হৃদপিণ্ডের ওঠাপড়া 
দেবে নাকি 
সেথায় ধরা 
হাঁটবো পাশে 
পাব সাড়া 

দেখবো অভিব্যক্তি 
চাউনি মাঝে 
খুঁজে নেব 
মনের ভাষার ব্যপ্তি 

হোলই না হয় 
অল্প সময় সেও যে 
ভীষণ দামি 
কল্পনা বা স্বপ্নেতে নয় 
হাঁটবো পাশে আমি !! 

দীপঙ্কর চৌধুরী 
২৯/১০/২০১৪