Tuesday, 30 September 2014

Refill.


I try to hear the silence. 
I try to keep the silence. 
I try to dilate the iris. 
My pen revolts in defiance. 

I seek new avenues. 
I seek luminescence. 
I seek renascence. 
My pen awakes in renaissance. 

© Deepankar Choudhury. 

হ্যাঁচ্চোওও


বলছি শোনো পূজোর কথা, মস্করা নয়, সত্যি 
চোখের সামনে ঘটতে দেখা, মনগড়া নয় রত্তি 

সিংহ চড়ে মা দুর্গা দাঁড়িয়ে ছিলেন ঠায় 
ত্রিশূল খোঁচায় মহিষাসুর কাতর যন্ত্রণায় 

দাদা, দিদি, সবাই আছে আসর করে আলো 
হঠাৎ যেন গনুদাদার ভুঁড়িটা চুলকালো 

পুরুত মশাই কাঁপিয়ে গলা মন্ত্র পড়েন যত 
হাত নিসপিস গনুদাদার, তবুও সংযত 

দূরের থেকে কাতুভায়া দেখছে দাদার দশা 
নিটোল ভুঁড়ি খাচ্ছে চুষে ডজনখানেক মশা 

যাচ্চলে, সব ভুঁড়ি ছেড়ে শুঁড় ধরল শেষে 
লক্ষ্মীদিদি সামলে আঁচল উঠল মৃদু হেসে 

সরস্বতী কুঁচকে ভুরু ধমক দিলো তাকে 
নেংটি ইঁদুর প্রসাদ খেলো একান্তে সেই ফাঁকে 

মশারা যেই ঢুকতে গেল শুঁড়ের ফুটো ধরে 
গনুদাদা আর না পেরে হ্যাঁচ্চো দিলো জোরে 

হাতির হ্যাঁচ্চো কেমনতর জানো কি কেউ তা 
ওলট-পালট, লণ্ডভণ্ড, মাথার উপর পা 

পুরুত মশাই পাখীর মত উড়ল কয়েক পাক 
নামাবলী পড়ল খসে, ধুতির কথা – থাক্‌ 

ঠাম্মা ছিল দুহাত জুড়ে, চোখ দুখানি বুজে 
হ্যাঁচ্চো দিলো তাঁর শ্রীমুখে ফল-সন্দেশ গুঁজে 

হঠাৎ শুনি তন্ত্রধারক উঠল কেঁদে জোরে 
আটকে আছে বাঁশের মাথায় মস্ত হাঁচির তোড়ে 

মা দুর্গা ওঠেন রেগে, বলেন – ‘ধুর্‌ ছাই, 
এই জন্যেই বলেছিলাম, একলা আমি যাই 

মর্তে গেলে ভূতের নেত্য, মাইক কলরব, 
মশার কামড়, মাছির এঁটো, সইতে হবে সব 

ঝুলে রইলো লোকটা টঙে, এবার যে কি করি’ 
গনুদাদা কান দুলিয়ে, বলল – ‘I am sorry’ ।