Wednesday, 5 March 2014

কলঙ্কিনী


তোমাকে ভালোবেসেছি বলেই 
কলঙ্কের দাগ কপালে। 
সেও ভালো। 

অব্যক্ত কথায় প্রাণের জোয়ার 
তোমায় টেনেছে কাছে। 
দিয়া জ্বালো। 

বিরহ রোদনে কোন অবেলায় 
অশ্রুধারায় ভেসেছে কপোল। 
বৃষ্টি ঢালো। 

বৈধতার কাঁটাতার পেরিয়ে 
হৃদয়ে হৃদয় জড়ানো। 
কথা বলো। 

শরীর নয় দাও এক ফালি চাঁদ, 
জ্যোৎস্নার আদর হয়ে 
ঘোচাও কালো। 

দিশাহীন পথ চলার শেষে 
এক চিলতে বাঁচার আলো। 
সেই ভালো।


कलंकिनी 

आपसे प्यार किया 
कपाल मेरा कलंकित हुआ 
होने दो. 

अव्यक्त भाषाओँ से दिल में ज्वार आया 
तुम्हे पास और पास बुलाया 
दीया जलाओ 

विरहा रोदन के किसी असमय 
अश्रु धारा से कपाल मेरा धुला 
बरसात गिराओ 

वैधता के कांताजाल को लांघकर 
दिल दिलसे मिला 
कुछ बोलो 

शरीर नहीं दो मुझे एक चाँद का टुकड़ा 
चांदनी की सुनहरी प्यार बनके 
अन्धकार मिटाओ. 

दिशाहीन पथ चलते चलते 
एक छोटी सी आशा 
रहने दो. 

दीपांकर चौधुरी 
२६/०२/२०१३

হারানো সুরের গন্ধ!

ফাগুন মাসে ধরা দিয়ে 
চৈত্র গেল চলে 
"আবার আমি আসব" 
বলে কথাও দিয়ে গেলে 

দিন গেল, মাস গেল 
বছর হল পার 
তোমার প্রতীক্ষাতে 
কত রাত্রি হল ভোর 

মনে পরে জ্যোৎস্না মাখা 
বনের পথে যেতে 
বন্য ফুলের গন্ধ মাখা 
হাতটি হাতে রেখে 

ফিশ ফিশিয়ে বলেছিলে 
থাকবে তুমি পাশে 
হারিয়ে যাব আমরা দুজন 
নাম না জানা দেশে 

হারিয়ে গেছি আমি বন্ধু 
তোমার হ্রদয় থেকে 
বন্য ফুলের গন্ধ কিন্তু 
আছে আমার সাথে 

ইচ্ছে করে





ইচ্ছে করে 
সারাটা দিন 
তোমার কাছে থাকি, 
বন্দি খাঁচায় 
পাখির মত 
একলা মনে ডাকি । 
ইচ্ছে করে 
যখন তখন 
তোমার কথা ভাবি, 
বন্ধ মনে 
ঝুলছে তালা 
একলা খুঁজি চাবি । 
ইচ্ছে করে 
তোমায় নিয়ে 
হারিয়ে যাই দূরে, 
আছো তুমি 
থাকবে তুমি 
মন মাতানো সুরে । 
ইচ্ছে করে 
অবাক চোখে 
তাকিয়ে শুধু দেখি, 
ইচ্ছাগুলো 
এই মুহুর্তে 
বলছে বাছা সেকি !।।

Monday, 3 March 2014

আমার ছুটি


ছুটি আমার ছুটি 
আমার ছোট্টো বেলার ছুটি 
আজকে যেন নেইকো তাড়া 
সকল বেলা জুটি | 

আমার ছুটি শান বাঁধানো, পুকুর-পাড়ের ঘাটে 
আমার ছুটি বকুল তলায় , ফুল কুড়ানো মাঠে , 
আমার ছুটি মেঘ-ভাঙা ঐ, বৃষ্টি বাদল বেলা 
আমার ছুটি ইচ্ছে-ডানায় , ভর করে পথ চলা , 
আমার ছুটি ছাদের কোনে , গ্রীষ্মে দুপুর রোদে 
আমার ছুটি শীতের দেশে , কম্বলে চোখ মুদে | 
আমার ছুটি শারদীয়া , মায়ের আগমনে 
আমার ছুটি বকুল ঝরা , কাশের বনে বনে || 
আমার ছুটিনদীর পারে , গান গেয়ে পথ চলা 
আমার ছুটি সাগর-বেলায়, মন কেমনের পালা | 

বড় বেলার ছোট্টো ছুটি , পায় না কোনো পথ, 
শুধু জানে ঐ পথেতে , আসবে ছুটির রথ , 
সেই রথেতে চড়ে আমি , ছুটব বহু দূর 
হেথায় শুধু থাকবে পড়ে , ছুটি শেষের সুর, 
ছুটবে যখন রথের চাকা , ফিরবো নাকো আমি 
পিছু ফিরে দেখবো নাকো কোন ছুটিটা দামী || 

দীপঙ্কর চৌধুরী 
২৮/০২/২০১৪


छुट्टी 

छुट्टी रे छुट्टी 
मेरे बचपन कि छुट्टी 
आज नहीं है कोई जल्दी 
न है कोई ड्यूटी 

मेरी छुट्टी छिपी है, गोबर से आँगन लेपने में 
मेरी छुट्टी छिपी है, तालाब के किनारों में 
मेरी छुट्टी छिपी है, बकुल के छाया के नीचे 
मेरी छुट्टी छिपी है, फूलों के बगीचों में 
मेरी छुट्टी छिपी है, टूटते-गरजते बादलों के नीचे 
मेरी छुट्टी छिपी है, वृश्टि बादलों के बेलाओं में 
मेरी छुट्टी छिपी है, छत के किसी कोने में 
मेरी छुट्टी छिपी है, दोपहर की तीव्र धुप में 
मेरी छुट्टी छिपी है, सर्दी के मौसम में 
मेरी छुट्टी छिपी है, कम्बल की सुख में 
मेरी छुट्टी छिपी है, शर्त के सुहानी ऋतू में 
मेरी छुट्टी छिपी है, माँ के आगमन की ख़ुशी में 
मेरी छुट्टी छिपी है, बकुल के पतझर में 
मेरी छुट्टी छिपी है, काश-फूलों के झाड़ियों में 
मेरी छुट्टी छिपी है, नदियों के किनारों में 
मेरी छुट्टी छिपी है, उन किनारों पर टहलते हुए बेसुध सुरों में 
मेरी छुट्टी छिपी है, सागर के किनारों में 
मेरी छुट्टी छिपी है, बिना किसी वज़ह के बेचैन होने में 

बड़े होकर यह भाग दौड़ से मिलता नहीं कोई पथ 
मालूम है पथ में है कहीं मिलेगा छुट्टी का रथ 
उस रथ पर सवार होकर मै जाउंगा बहुत दूर 
यहीं पर धरा रह जायेगा छुट्टियों का सुर 

जब घूमेगा इस रथ का चक्र फिर कभी भी न लौटूंगा 
कौन सा छुट्टी है अधिक मूल्यवान यह भी न मिलाऊंगा 

दीपंकर चौधुरी 
२८/०२/२०१४

এই তো জীবন





আশাতে মানুষ বাঁধে মানুষের মন 
ফাঁসাতে হাসাতে হয় মিছে সারাক্ষণ, 
দু’চোখের লোনা পানি ভাঙনের খেলা 
এই তো জীবন ভবে দু’দিনের মেলা । 
ভাসাতে ভাসতে হয় কতো দিন যায় 
হতাশা বাতাসা কিনে চুপিচুপি খায়, 
না বলা মনের কথা কবিতার খাতা 
এই তো জীবন খোলা দু’চোখের পাতা । 
ভালোবাসা মিলে ভাসা ভাঙা ছোট নায় 
কি ভুলে জানি না কূলে ঢেউ ভেঙে যায়, 
বালুচরে আশা নিয়ে স্বপ্ন বাঁধে বাসা 
এই তো জীবন খেয়া কূলে ফিরে আসা । 
আলোকিত ভোর শুরু সারাদিন বেশ 
কাজ সেরে সাঁঝে ফেরা জীবনের শেষ ।। 

খোঁজ



বন্ধু ছিল 
নরম সকাল 
গ্রাম বাংলার মাটি, 
বন্ধু ছিল 
করিম চাচার 
- সাধের শীতলপাটি। 

বন্ধু ছিল 
গ্রাম্য মেয়ের 
আদুল পায়ে চলা ... 
বন্ধু ছিল 
ছোট্ট নদী, 
সোনালী ধানের গোলা ...। 

বন্ধু ছিল 
ট্রেন-এর বাঁশি 
প্রথম শহর আসা , 
বন্ধু ছিল 
অমল বিমল 
কলেজ স্ট্রীটের বাসা। 

বন্ধু ছিল 
তপ্ত বিকেল 
কফি হাউসের কোণে , 
বন্ধু ছিল 
এগিয়ে চলা 
উতাল আন্দোলনে। 

বন্ধু ছিল 
উমার চুমু 
রমার ভালবাসা , 
বন্ধু ছিল 
দুষ্টু খোকার 
প্রথম কোলে আসা। 

বন্ধু ছিল 
নিজের অফিস 
খোকার বিদেশ যাওয়া , 
বন্ধু ছিল 
রাতের শেষে 
রমার চলে যাওয়া ... 

এখন বাজছে সময় 
সাড়ে ন -টা , 
হচ্ছে শুতে যেতে 

অনেক চেয়েও 
পাই নাকো আর 

- বন্ধু খুঁজে পেতে ....

দেখা সাক্ষাৎ






অনেকদিন দেখা হবে না 
তারপর একদিন দেখা হবে। 
দুজনেই দুজনকে বলবো, 
‘অনেকদিন দেখা হয় নি’। 
এইভাবে যাবে দিনের পর দিন 
বত্সরের পর বত্সর। 
তারপর একদিন হয়ত জানা যাবে 
বা হয়ত জানা যাবে না, 
যে তোমার সঙ্গে আমার 
অথবা আমার সঙ্গে তোমার 
আর দেখা হবে না।




We may not meet for a long time. 
May be we shall after a long time. 
We shall say to each other; 
"We have met after a long time." 
This way days shall pass, years too. 
Then suddenly we may know 
Or perhaps we may never know; 
That we may never 
Perhaps see each other. 

© Deepankar Choudhury 
02/03/2014 @ 00.55 AM

মানুষ কবে মানুষ হবে




দুর্দিন যদি কোনোদিন শেষ হয়, মানুষগুলো যদি মানবতার জলে কোনোদিন স্নাত হয়, 
যদি কোনোদিন তুমি ভুল বুঝে সাবলীল করো ভালোবাসার ভাষা __ 
যদি কোনোদিন মানুষে মানুষে, ভূগোলের সীমারেখায় হৃদয়ে হৃদয়ে হয় অন্বয়, 
যদি কোনোদিন আমি পাই তোমার শিশিরস্নাত নান্দনিক ভালোবাসা। 

অপেক্ষায় বসে থাকি, কাতর মনটাকে কত করে বোঝাই, একদিন সুদিন আসবে, 
মানুষগুলো ভালোবাসার ভাষায় মাখবে শিশিরস্নাত গোলাপের সৌরভ, 
মানুষগুলো হালাল খেয়ে আত্মাটাকে বড় পবিত্র করবে __ 
সততা, ন্যায় আর পবিত্রাই হবে মানুষের একমাত্র বিত্ত বৈভব। 

অপেক্ষায় থেকে থেকে মেয়াদোতীর্ণ ওষুধের মতোন বিষ হতে চলেছে আমার মন্ত্র 
মানুষের ভালোবাসার ভাষায় তবু আসছেনা ঝর্ণার ঝুমঝুম ধ্বনিময় ব্যঞ্জনা 
মানুষগুলো তবু ক্ষমতা অর্থ আর পদ দীর্ঘস্থায়ী করতে করছে কত তন্ত্র 
ভালোবাসার ভাষা তবু শিখলো না আমার অঞ্জনা। 

দুর্দিন শেষ হয় না, কষ্ট দৈন্য আর যন্ত্রণার কীটগুলো ক্রমাগত গায় ব্যান্ড সংগীত 
তোষামুদে, লুটেরা, আর অামলারা আজ তুখোর পণ্ডিত। 

দীপঙ্কর চৌধুরী 
০২.০৩.২০১৪

আমিও একা,তুমিও একা

আমিও একা,তুমিও একা 
মিলেছি ফেসবুকে, হব কি দোকা? 
আমিও একা,তুমিও একা 
মিলেছি ফেসবুকে, ফেসবুক যে ধোঁকা! 

আমিও একা,তুমিও একা 
মিলেছি ফেসবুকে, কি আছে বাধা? 
আমিও একা,তুমিও একা 
মিলেছি ফেসবুকে, এ এক গোলকধাঁধা! 

আমিও একা,তুমিও একা 
মিলেছি ফেসবুকে, থাকব কি বাঁধা? 
আমিও একা,তুমিও একা 
মিলেছি ফেসবুকে, পথ নয় এ বাঁকা! 

আমিও একা,তুমিও একা 
মিলেছি ফেসবুকে, এখানেই বন্ধু হয়ে থাকা 
আমিও একা,তুমিও একা 
মিলেছি ফেসবুকে, জীবন সাত পাকে বাঁধা।। 
Deepankar Choudhury's Spot Poems 
February 22 at 10:10pm · Like · 1

ঘুড়ী




এক খানি আকাশে 
প্রতিটা বিকেলে 
কতশত ঘুড়ী উড়ে বাতাশে। 

আমি সবুজ ঘাসে 
বসে বসে দেখি তাকে। 
সেযে উড়ছে, শুধু উড়চ্ছে 
মেঘে আর বাতাশে। 

গগণে চেয়ে চেয়ে থেকে 
বেলা যায় যে চলে, 
নেমেছে সাঝ আলো যে। 

এবার সুতা ধরে টানছি 
আকাশ ভ্রমন শেষে 
সেযে আসছে নেমে, 
আবার আমার কাছে মাটিতে। 

এমনি করে যদি 
সবাই আসিত ফিরি, 
আবার আমার কাছেতে।। 

দীপঙ্কর চৌধুরী 
০৩/০৩/২০১৪ 

কেমন আছো?




স্মৃতির পাতা হঠাৎ খুলে 
হয়ত কোন মনের ভুলে 
ডাকলে তুমি পিছন ফিরে 
কেমন আছো? 

কত বছর কত যে মাস 
কত প্রহর কত অবকাশ 
তোমায়ে ভেবে হয়েছি হতাশ 
কেমন আছো? 

কলেজ কেতে সেই সিনেমা 
একটু চেনা কত অচেনা 
আজ মনে হয় চেনা চেনা 
কেমন আছো? 

হলুদ শারী কাঁচের চুড়ি 
পুজোর দিনে ঘোরাঘুরি 
চোখের জলে দৃষ্টি ভারি 
কেমন আছো? 

ছুটির দিনে তোমার পাড়ায়ে 
ডাকতে তুমি মৃদু ইশারায়ে 
লেকের ধারে বিকেল বেলায়ে 
কেমন আছো? 

হঠাৎ সেদিন তোমার বিয়ে 
বরযাত্রী বর কে নিয়ে 
আমায়ে গেলে পাশ কাটিয়ে 
কেমন আছো? 

এতো বছরে আবার দেখা 
সিঁথি তে আজ সিঁদুর রেখা 
মুখে সুখের চিন্হ লেখা 
কেমন আছো? 

আমি আছি আমার মতো 
একটু বড় অনেক ছোট 
তোমায়ে দেখে বোকার মতো 
কেমন আছো? 

চুল গুলোতে পাক ধরেছে 
চোখের দৃষ্টি বদলে গিয়েছে 
বুকের জ্বালা বুকেই আছে 
কেমন আছো? 

এবার তবে এলাম আমি 
মিষ্টি হেসে বলছ তুমি 
তোমার চোখে কি অশনি 
কেমন আছো? 

দীপঙ্কর চৌধুরি 
০৩/০৩/২০১৪ 
সন্ধ্যা ০৭.৩৩ টা